Posts

Showing posts from May, 2010

ফেসবুক কথপকথন 2010

বাহ! বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ভাবতে ভালোই লাগে। ভেবে দেখুন, দেশে মশা-মাছির মতো ফেসবুকের জনপ্রিয়তাও চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়েই চলেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকে একটা অ্যাকাউন্ট নেই, কিন্তু ফেসবুকে বেশ কয়েকটা অ্যাকাউন্ট আছে (নকল আইডিসহ) এমন লোকের সংখ্যাও খুব একটা কম নয় rolling on the floor আর ফেসবুকের যে ব্যাপক উপকারিতা, তাতে জনপ্রিয়তা না বেড়ে উপায় কী? এমনিতে আপনার পাঁচ পয়সাও দাম নেই broken heart সমাজে নেই কোনো মানমর্যাদা। কিন্তু এ নিষ্ঠুর সমাজ না বুঝলেও ফেসবুক আপনাকে ঠিকই বুঝবে hypnotized কারণ ফেসবুকে আর কিছু থাক বা না থাক, আপনার একটা ‘স্ট্যাটাস’ আছে। শুধু তাই না, একটা বাড়ির জন্য মানুষ কত কষ্ট করে, অথচ ফেসবুকে বাড়ি অর্থাৎ হোম আছে। লগইন করলেই দেখতে পাবেন হোম পেইজ 69 ফেসবুক কথপকথন... একটু মজার জন্য ;) | বিয়ে কিংবা চাকরি যেটাই করতে চান, কাজি না লাগতে পারে, অফিস না লাগতে পারে, কিন্তু সব জায়গাতেই আপনার একটা প্রোফাইল লাগবে thinking সেটাও ফেসবুকে আছে। আর মানুষ সামাজিক জীব, সে একা বাস করতে পারে না, তার বন্ধু প্রয়োজন—এসব তো সবাই জানে। কিন্তু বন্ধু পাবেন কোথায়? কোথা...

আপনার এন্টি ভাইরাস কতটুক কার্য্যকর ?

আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে,। প্রায় সব কম্পিউটারেই এন্টিভাইরাস ইনস্টল করে থাকি, কিন্তু আমরা জানতে পারি কি যে আমার ইনষ্টল করা এন্টি ভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে কিনা ?। তো আসুন আজ ছোট একটি পরীক্ষা দ্বারা জেনে নেই আমাদের ইনষ্টল করা এন্টিভাইরাসের কার্যকারিতা কতটুকু বা কাজ করছে কিনা । এজন্য নোটপ্যাড খুলে X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H* লিখে Virustest.bat নামে সেভ করতে হবে। এবার ফাইলটি এন্টিভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করুন এবং দেখুন ফাইলটিকে আপনার কম্পিউটারের এন্টিভাইরাসটি ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করে কিনা। যদি চিহ্নিত করে তাহলে বুঝবেন আপনার এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে, আর যদি চিহ্নিত না করে তাহলে বুঝবেন এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে না। ধন্যবাদ সবাইকে।

কই মাছের প্রাণ : এরশাদের গোপন ডায়েরি

আমাকে নিয়ে আমার এই রসিকতায় মনে হয় না কেউ খুব একটা আশ্চর্য হবে। সারাজীবন তো নিজেকে নিয়ে রসিকতাই করে গেছি, সেরসিকতা দেশ ও জনগণের সর্বনাশ ডেকে এনেছে। কিন্তু আমি ছিলাম বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অংশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান প্রতিনিধি। তাই আমার রসিকতা ও আমার ক্ষমতা দুয়ে মিলে আমি হয়েছি – বিশ্ববেহায়া। এখন আমার ক্ষমতা নেই, তাই আমার এখনকার রসিকতা আর দেশ ও জনগণের ক্ষতি করে না। আমার নিজের কই মাছের প্রাণটা আমি উপভোগ করি – এই যে গুরুতর অসুস্থতা থেকেও এই আশি বছর বয়সেও ফিরে এলাম – এ তো উপভোগ করার মতোই ঘটনা। মুজিব মরল, জিয়া মরল – কিন্তু আমি বেঁচে আছি, এরশাদ বেঁচে আছে। এই শব্দটাও আমাকে খুব মানায় – ঠ্যাঁটা, শঠতার চূড়ান্তে পৌঁছতে চেয়েছি আমি – পৌঁছেছি দাবী করব না – কিন্তু বাংলার সেরা শঠদের সেরা সারিতে থাকব, এতে কোনো সন্দেহ নেই আমার। আমার ও রওশনের সন্তান ছিল না, সন্তান দত্তক নিয়েছিলাম, কিন্তু সন্তানসম্ভবা বলে রওশনকে হাসপাতালে ভর্তি করালাম, তার বাচ্চা হল, আমরা বাবা-মা হলাম। সারাদেশকে জোর করে আনন্দে ভাসানো হল, ঘনিষ্ঠরা শুধু জানে, রওশন ছাড়া পৃথিবীতে আর কেউ সম্ভবত রাতারাতি সন্তানসম্ভবা ও সন্তানের মা হয়নি। ১৯৭১ সালে ...