Posts

Showing posts with the label মহাকাশ

গ্যালাক্সি কি, কোথা থেকে আসছে এবং কোথায় যায়?

Image
গ্যালাক্সি বা ছায়া পথ হচ্ছে একটি বৃহৎ সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা যা  তারা, আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস ও ধূলিকণা, প্লাসমা এবং প্রচুর পরিমাণে অদৃশ্য বস্তু দ্বারা গঠিত। মহাবিশ্ব্বর একটি ক্ষুদ্র অংশ হচ্ছে গ্যালাক্সি। অনেক গুলো নক্ষত্র মিলে একটি গ্যালাক্সি তৈরি করে। সাধারনতঃ একটি গ্যালাক্সি দশ মিলিয়ন হতে একশ মিলিয়ন নক্ষত্র ধারন করে। এটা গ্যালাক্সির সাইজের উপর নির্বর করে। ছোট গ্যালাক্সি গুলোতে এক বিলিয়নের কাছাকাছি নক্ষত্র থাকে, এগুলোকে বামন গ্যালাক্সি বলে। বড় গ্যালাক্সিতে একশ বিলিয়নের কাছাকাছি নক্ষত্র থাকে, এগুলোকে দানব গ্যালাক্সি বলে। আমাদের সৌর জগত ও একটি গ্যালাক্সির মধ্যে আছে। এই গ্যালাক্সিটিকে বলে মিল্কিওয়ে। চিত্রঃ একটি স্পাইরাল গ্যালাক্সি। মিল্কিওয়ের আয়তন হচ্ছে এক লক্ষ আলোক বর্ষ। (আলো এক বছরে যে শূন্য স্থানে দূরত্ব অতিক্রম করে তাই হচ্ছে এক আলোক বর্ষ)। মিল্কিওয়ের মধ্য স্থান হতে আমাদের সৌর জগতের দূরত্ব ২৫ হাজার আলোক বর্ষ। মিল্কিওয়ের মধ্যে একশ এর ও বেশি নক্ষত্র রয়েছে। আমাদের পাশের নক্ষত্র হচ্ছে প্রক্সিমা তার প্রে আছে আলাপা সেন্টরাই। আছে গ্রুম্বব্রিজ, রোজ, ভেগা আরো ...

Amazing Facts about Space, Planets and Universe

১.চাঁদের পৃষ্টদেশকে বলা হয় সাগর। মানুষ বিশ্বাস করে একদা এই উপগ্রহে পৃষ্টদেশে সদা আঁচড়ে পড়ত লাভার স্রোত। ২. জানা মহাজাগতিক বস্তুগুলোর মধ্য সবচেয়ে দূরবর্তী হল কোয়াসার। সবচেয়ে কাছ েরটিও প্রায় ১ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। ৩. সবচেয়ে উজ্জ্বল কোয়াসারটির নাম 3C 273 , এর দূরত্ব ২ বিলিয়ন আলোকবর্ষ। ৪. রাতের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারাগুলো একটিও আদতে তারা নয় এরা হল বৃহস্পতি, শুক্র , মঙ্গল এবং বুধ গ্রহ। ৫. বৃহস্পতির চাঁদ Europa শুস্ক পৃষ্টদেশ বিশিষ্ট হলেও ধারনা করা হচ্ছে এর ভূগর্ভে রয়েছে পানির মহাসাগর। ৬. আমাদের মহাবিশ্বে ছায়াপথের সংখ্যা প্রায় ২০ ট্রিলিয়ন। ৭. কয়েকটি ছায়াপথ মিলে গঠন করে ছায়াপথ দল (group of galaxies) ,প্রায় ৩০ টি বা এর বেশী ছায়াপথ নিয়ে তৈরি ছায়াপথ স্তবক ( galaxy cluster) , ছায়াপথ স্তবকদের স্তবক নিয়ে তৈরি হয় ছায়াপথ মহাস্তবক ( Super Cluster). ৮. ১৯৭০ এর দশকে মঙ্গলগ্রহে সফল অবতরণ করে মার্কিন নভোযান Vikings 1 এবং 2, সোভিয়েত নভোযান Mars 3 এবং 5। ৯. প্লুটোর গ্রহত্ব কেড়ে নেয়ার পর নেপচুনই সৌরজগতের সবচেয়ে দূরের গ্রহ। ১০. আকাশগঙ্গা (Milky Way) যে ছায়াপথস্তবকের মধ্যে অবস্থিত তার...

Amazing Facts about Space, Planets and Universe[Part-5]

:: Amazing Facts about Space, Planets and Universe[Part-5] :: ১.চাঁদের পৃষ্টদেশকে বলা হয় সাগর। মানুষ বিশ্বাস করে একদা এই উপগ্রহে পৃষ্টদেশে সদা আঁচড়ে পড়ত লাভার স্রোত। ২. জানা মহাজাগতিক বস্তুগুলোর মধ্য সবচেয়ে দূরবর্তী হল কোয়াসার। সবচেয়ে কাছ েরটিও প্রায় ১ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। ৩. সবচেয়ে উজ্জ্বল কোয়াসারটির নাম 3C 273 , এর দূরত্ব ২ বিলিয়ন আলোকবর্ষ। ৪. রাতের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারাগুলো একটিও আদতে তারা নয় এরা হল বৃহস্পতি, শুক্র , মঙ্গল এবং বুধ গ্রহ। ৫. বৃহস্পতির চাঁদ Europa শুস্ক পৃষ্টদেশ বিশিষ্ট হলেও ধারনা করা হচ্ছে এর ভূগর্ভে রয়েছে পানির মহাসাগর। ৬. আমাদের মহাবিশ্বে ছায়াপথের সংখ্যা প্রায় ২০ ট্রিলিয়ন। ৭. কয়েকটি ছায়াপথ মিলে গঠন করে ছায়াপথ দল (group of galaxies) ,প্রায় ৩০ টি বা এর বেশী ছায়াপথ নিয়ে তৈরি ছায়াপথ স্তবক ( galaxy cluster) , ছায়াপথ স্তবকদের স্তবক নিয়ে তৈরি হয় ছায়াপথ মহাস্তবক ( Super Cluster). ৮. ১৯৭০ এর দশকে মঙ্গলগ্রহে সফল অবতরণ করে মার্কিন নভোযান Vikings 1 এবং 2, সোভিয়েত নভোযান Mars 3 এবং 5। ৯. প্লুটোর গ্রহত্ব কেড়ে নেয়ার পর নেপচুনই সৌরজগতের সবচেয়ে দূরের গ্রহ। ১...

রহস্য নিয়ে ফিরেছে নভোযান হায়াবুসা

Image
জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (জাক্সা) গবেষকরা আশা করছেন যে, তাদের পাঠানো নভোযান হায়াবুসার বায়ু নিরোধক পাত্র থেকেই পাওয়া যাবে মহাকাশের অজানা রহস্যের সমাধান। কারণ, এর মধ্যেই আছে আলু আকৃতির 'ইতোকাওয়া' গ্রহাণুর ধূলিকণা। খবর ইয়াহু অনলাইনের। সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জের মধ্যে থেকে ইতোকাওয়া গ্রহাণুতে অবতরণ করতে পেরেছিলো হায়াবুসা। পৃথিবী থেকে ৩০ কোটি কিলোমিটার দূরের এই গ্রহাণুর উপাদান সংগ্রহ করতেই ২০০৩ সালে হায়াবুসাকে মহাকাশে পাঠিয়েছিলো জাপান মহাকাশ সংস্থা। জানা গেছে, গত ২৪ জুন হায়াবুসাকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফেরার পর হায়াবুসার সঙ্গে থাকা একটি পাত্র উদ্ধার করেছেন বিজ্ঞানীরা। গ্রহাণুর নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই পাত্রটি হায়াবুসার সঙ্গে যুক্ত ছিলো। সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ২০ নভেম্বর নভোযানটি ৩০ মিনিটের মতো 'ইতোকাওয়া'র ওপর অবস্থান করে বড় মাপের কিছু উপাদান সংগ্রহের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ২৫ নভেম্বর পুনরায় এটি গ্রহাণুর ওপর অবতরণ করে কিছু পদার্থ সংগ্রহের চেষ্টা শেষে পৃথিবীতে ফের...

সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ

Image
সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের অজানা অনেক তথ্য জানতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ক্ষমতাধর টেলিস্কোপ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে যুক্তরাজ্য। ‘পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী চোখ’ নামের এ টেলিস্কোপটির আয়তন লন্ডনের বিগ বেনের আকৃতির সমান হবে। ইতোমধ্যেই কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, ইউরোপিয়ান এক্সট্রেমটি লার্জ টেলিস্কোপটিকে ছাড়িয়ে যাবে এটি। মহাবিশ্বের বিভিন্ন স্থানে থাকা পৃথিবীর মতো গ্রহ ও অনেক গ্রহাণুপঞ্জকে খুঁজে বের করতে সহায়তা করবে এটি। ডেইলি মেইল। চিলির আটাকামা মরুভূমিতে এ টেলিস্কোপটি নির্মাণ করা হবে। বাড়ির ছাদে নির্মিত গম্বুজাকৃতির টেলিস্কোপের ভেতরের অংশে থাকবে ত্রিকোণ আকৃতির অতিকায় একটা আয়না। গম্বুজাকৃতির ঢাকনার আকার একটি ফুটবল খেলার মাঠের সমান আয়তনের হবে। এই টেলিস্কোপের ভেতরে একই সঙ্গে দেখা যায় এমন সূক্ষ্ম আলো ও ইনফ্রারেড (৭-৩০০ মাইক্রোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো যা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন হিসেবে ১-৪৩০ টেরাহার্জ। খালি চোখে দেখা যায় না এমন আলোক রশ্মি) ব্যবহার করা হবে। যা অন্য টেলিস্কোপগুলোর চেয়ে এটিকে অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন করে তুলবে। টেলিস্কোপটির সাহায্যে একশ’ ৪০ কোটি বছর আগের প্রথম ন...

ঈশ্বর কণা

Image
ঈশ্বর কণা মহাবিশ্ব সৃষ্টি নিয়ে যখনই কোন আলোচনা হয়, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আমাদের সামনে উঠে আসে। আর তা হল... মহাবিশ্ব সৃষ্টির পিছনে সত্যিই কি সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বরের হাত রয়েছে? এই প্রশ্নে আস্তিক এবং নাস্তিকদের মাঝে যুক্তি তর্কের শেষ নেই। আসুন দেখি মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা কি বলেনঃ একটি বিন্দু থেকে সব কিছুর সৃষ্টি। ধারনা করা হয় তখন মহাবিশ্বের আয়তন ছিল একটি পরমাণুর থেকেও ছোট এবং তাপমাত্রা ছিল কয়েক বিলিয়ন ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। সেই ছোট বিন্দুটি হঠাৎ হারিয়ে ফেলে তার মহাকর্ষন শক্তি এবং প্রসারিত হতে থাকে অসীম গতিতে চারদিকে। এই প্রসারণকে বলা হয় "নিনাদ তত্ত্ব" বা "বিগ বেং"। বর্তমানে জানা তথ্যের উপর ভিত্তি করে মহাবিশ্বের বয়স দাঁড়ায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর এবং আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্বের ব্যাস ১৮৫ বিলিয়ন আলোক বর্ষ। মহাবিশ্ব সৃষ্টির পূর্বে সব কিছুই শক্তিরূপে বিরাজ করতো। প্রচণ্ড নিনাদের ফলে আদিতে সৃষ্টি হয় মোট ১২টি কণা। এই কণাগুলো বস্তুর আদিরূপ হলেও এদের স্থায়ীত্ব নেই। অন্য কণাগুলোকে সৃষ্টি করেই এরা আবার অস্তিত্বহীন হয়ে যায়। ইতোপূর্...

মহাবিশ্বের অজানা রহস্য

Image
« আগের সংবাদ ...

মহাবিশ্বের তিনকাল

মহাবিশ্বের তিনকাল  আসলে “মহাকাশ” বিশ্বসৃষ্টি বা এই মহাবিশ্ব কিভাবে ধ্বংস হবে তা নিয়ে মানুষের চিন্তা ভাবনা চিরন্তন।এসব চিন্তাভাবনাকে যৌক্তিক ভিত্তিতে রূপ দিয়েই গড়ে ওঠেছে আধুনিক বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্ব।বিগত কয়েক বছরে এর নুতন জ্ঞানের শাখাও তৈরি হয়েছে।যার নাম-জ্যোতিঃকণাবিজ্ঞান(এস্ট্রোপার্টিকেল ফিজিক্স)। অতীতের মহাবিশ্ব  আসলে “মহাকাশ” বিশ্বসৃষ্টি বা এই মহাবিশ্ব কিভাবে ধ্বংস হবে তা নিয়ে মানুষের চিন্তা ভাবনা চিরন্তন।এসব চিন্তাভাবনাকে যৌক্তিক ভিত্তিতে রূপ দিয়েই গড়ে ওঠেছে আধুনিক বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্ব।বিগত কয়েক বছরে এর নুতন জ্ঞানের শাখাও তৈরি হয়েছে।যার নাম-জ্যোতিঃকণাবিজ্ঞান(এস্ট্রোপার্টিকেল ফিজিক্স)।এই আধুনিক বিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব থেকে এটা পাওয়া যায় যে,মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে “মহাগর্জন” বা big bang এর মাধ্যমে।তত্ত্ব অনুযায়ী,সৃষ্টির শুরুতে প্রতিবেশি নীহারিকাগুলোর অন্তর্বতী দূরত্ব ছিল শূণয।যা ছিল একেবারে গাট বন্দী অবস্থায় আর তা থেকে হয় মহাবিস্ফোরণ,অর্থাৎ প্রায় ১৫০০ কোটি বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণ বা মহাগর্জনের মাধ্যমে অতি উত্তপ্ত এবং অসীম ঘনত্বের এক পুঞ্জীভূত অবস্থা থেকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্...

ডুম মেটাল সমাচার

হেভি মেটালের অন্যতম একটি চূড়ান্ত অবস্থা হলো 'ডুম মেটাল'। মেটালপ্রেমীরা ডুম মেটাল সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানেন। তবে এ সম্পর্কে আরও ভাল ধারণা দেয়ার জন্যই আজকের এই লেখা। এর মাধ্যমে অনেকেই সহজভাবে 'ডুম মেটাল' সম্পর্কে জানতে পারবে। ডুম মেটাল নামটি শুনলেই এর সম্পর্কে সামান্য ধারণা পাওয়া উচিত। কারণ এই ডুম (উড়ড়স) শব্দটির আভিধানিক অর্থ দাঁড়ায় : চূড়ান্ত নিয়তি; শেষ বিচার। ডুম মেটাল ধারাটি হেভি মেটালের অন্যতম একটি চূড়ান্ত ভারি রূপ যা অপেৰাকৃত ধীর লয়ের। এখানে গীটারের টিউন অনেক নিচে করা হয় যার ফলে অন্যান্য ধারার চেয়ে এই ধারায় গীটারের শব্দ অনেক মোটা ও ভারি হয়ে থাকে। এ ধারায় গানের কথা ও সুরের মাঝে একটা নাটকীয় সামঞ্জস্য বিদ্যমান। এখানে গানের যে আবহ, তাতে শ্রোতাদের মনে যে ভাব জাগ্রত হয় তা হলো মূলত নৈরাজ্য, চূড়ানত্ম হতাশা, ভীতি বা আসন্ন চূড়ানত্ম কোন নিয়তি। আমরা লেখার পরবতর্ী অংশে এ বিষয়ে আরও জানব। ডুম মেটাল ধারাটি মূলত উদ্ভব হয় বিশ্বখ্যাত হেভি মেটাল ব্যান্ড 'বস্ন্যাক স্যাবাথ'-এর প্রথম দিকের কিছু গান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। তাদের পুরনো গানের মধ্যে 'বস্ন্যাক স্যাবাথ...

মাথা নষ্ট করা মেটাল ব্যান্ড - আমার কিছু ফেভারিটস!

Image
গানের ব্যাপারে যেকোন ধরণেই আমার কোন আপত্তি নেই, যতক্ষণ না গান শুনে ঘুম এসে পরার উপক্রম হয়! গানের চয়েজের ব্যাপারে সবার সাথে আমার একটা পার্থক্য আছে, অনেকেই দিনের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মুডের গান শুনতে পছন্দ করেন, যেমন সকাল বেলায় ঠান্ডা টাইপের বা সুন্দর মিউজিকের গান দিয়ে দিন শুরু করা, বেলা হবার সাথে সাথে মিউজিকের তীব্রতা বাড়তে থাকে আর ঘুমোতে যাবার আগে আবার কোন ঠান্ডা টাইপের গান দিয়ে দিনের পরিসমাপ্তি! আমার ব্যাপারটা একটু অদ্ভূত, দিনের যেকোন সময়েই ধাতব সঙ্গীত আমার ভালোলাগে, মাঝে মাঝে সকালে যখন চোখ খুলতে চায় না তখন মাঝারি ভল্যুমে মেটাল শুনলে অনেক সময় মাথা ফ্রেশ হয়ে যায়! এইটা অবশ্য আমার নিজের পাগলা স্বভাবের জন্যও হয়ে থাকতে পারে! যাই হোক, যেই মেটাল এত পছন্দের সেই মেটাল কিন্তু আমি হালেই শোনা ধরেছি। বড়জোর বছর দুয়েক। আমার কানে সারাক্ষণই হেডফোন লাগানো থাকে, ঘরে থাকি আর বাইরেই থাকি, এমনকি পড়ার সময়ও। গান নিয়ে মাঝে মাঝে লেখালেখির সাধ জাগে তবে লিখতে ভয় হয়, কারণ আমি গানের ব্যকরনের ব ও জানি না, জেনার নিয়েও তেমন একটা জানাশোনা নাই, যা ভালো লাগে তাই শুনি। সে যাকগে, আমার পছন্দের ব্যান্ডের লিস্টি দিতে তো কো...

ব্লাক মেটালঃ দি আলটিমেট টেষ্ট অফ মেটাল উইথ লেজেন্ড ক্রেডেল অফ ফিলথ

Image
মিউজিক ভালো লাগেনা এমন মানুষ পাওয়া দুস্কর। সবার ফেভারিট হবির অন্যতম হল গান শোনা। অবশ্যই আমি তাদের বাইরে নয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হল একেকজনের ভালো লাগা একেক রকম। দেখা গেলো আপনি আপনার প্রিয় ব্যান্ড মেটালিকার কোন একটা গানের কথা এক বন্ধুকে বলার পর সে বলল, “ধূর মেটালিকা কোন ব্যান্ড হল নাকি,ব্যান্ডের বস হল লিংকিন পার্ক”। কোথায় মেটালিকা আর কোথায় লিংকিন পার্ক!!! সে আপনাকে এই কথাটা বলল কারণ জেনের(genre)বিষয়ে সে কিছুই জানেনা আর আপনি তার কথা শুনে যুক্তিক কোন উত্তর দিতে পারলেন না ওই একই কারণে। মিউজিকের ব্যাপারটাই এমন। আর তাই কারো ভালো লাগার দিকে তাকাতে গেলে প্রথমেই যে বিষয়টি চলে আসে তা হল জেনের(genre),এটা দিয়ে এক কথায় জানা সম্ভব একজন মানুষ কি ধরনের গান পছন্দ করে। জেনের বিষয়ে ভালো জ্ঞান না থাকলে আপনি কোন মিউজিক বিষয়ক বিতর্কে সহজেই হাসির পাত্র হয়ে যেতে পারেন। আর এই জেনের আবার নানা রকম হতে পারে। যেমনঃ ১. রক - Rock (হার্ড রক,ইমো রক, অল্টারনেটিভ রক,সফট রক,পাঙ্ক রক) জনপ্রিয় ব্যান্ডঃ লিংকিন পার্ক,গ্রিন ডে,লষ্ট প্রোফেটস,স্কোরপিয়ন্স,গানস এন্ড রোসেস ইত্যাদি। ২. মেটাল – Metal (প্রোগরেসিভ ...

বুলেট ফর মাই ভ্যালেন্টাইন – বেষ্ট মেটালকোর ব্যান্ড এ্যাভার

Image
বুলেট ফর মাই ভ্যালেন্টাইন (লাইন আপ) কাউকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, “ভাই আপনি মেটাল গান শোনেন নাকি”। তাহলে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই উত্তর আসে, “অবশ্যই শুনি, না শোনার কি আছে” । তারপর যখন জিজ্ঞেস করবেন, “কাদের মেটাল গান শুনেন” । তখন উত্তর আসে, “বন জভি, জেমস ব্লান্ট, মাইকেল জ্যাক্সন এমনকি আমি লিংকিন পার্কের মত গোথিক মেটাল ব্যান্ডের গানও শুনি”। তারপর আর কি। আপনাকে মুগ্ধ হওয়ার ভান করে বলতে হয় আরে, “আপনি দেখি চরম মেটাল লিসনার। ভালো কালেকশান থাকলে দিয়েন তো” । আমাদের দেশের বেশীর ভাগ শ্রোতারই মিউজিক সম্পর্কে আইডিয়া এই ধরনেরই। কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধু আমাকে বলল “মেটালিকা” তো “রক-মেটাল” সেকশনে গান গায়। আমি কিছুই বুঝলাম না জিনিসটা কি। আসলে দোষটা তাদেরও না। টিভিতে সারাদিন হিন্দি সস্তা জিনিস দেখতে দেখতে এখন মিঊজিক বলতে এরা বুঝে ইন্ডিয়ার হিমেস রেসামিয়া (সর্বশ্রেষ্ঠ জোকার), বাংলাদেশের বালাম, রিদয় খাল (এর বিষয়ে বলতে গিয়া আমি বাকরুদ্ধ), হাবীবী (আমি তোমার মনের ভেতরে......ইত্যাদি ইত্যাদি)। না আমি কোন শ্রোতাকে ছোট করতে চাচ্ছি না। তবে বাংলাদেশের বেশীর ভাগ শ্রোতাদের সাথে মিউজিক নিয়ে কথা বলে মনটাই খারা...

সেই গানগুলো যা ভালো লাগে আজও, শুনতে শুনতেও মনে হয় আরেকবার শুনি (সেরা গানের তালিকা সাথে ডাউনলোড লিংক):)

Image
অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম মিউজিক নিয়ে একটি পোষ্ট দেব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর দেয়া হচ্ছিল না নানা কারণে। আজ আবার হঠাৎ করে বিষয়টা মাথায় চলে এল। তাই ভাবলাম আজই দিয়ে ফেলি। নিজের ভাল লাগা গানগুলো সবার সাথে শেয়ার করতে কার ভালো না লাগে? কিন্তু সমস্যা সেখানে নয়। সমস্যা হচ্ছে নিজের ভালো লাগা গানের তালিকা এতই বড় যে সেখান থেকে কোন গানটি যে পোষ্টে রাখব আর কোনটি বাদ দেব সেটা নিয়েই কনফিউজড হয়ে পড়ি। কিছুদিন আগে প্রিয় কিছু গান নিয়ে আমি এমন একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম। তাতে রেসপন্সও পেয়েছি দারুন। কিন্তু পোষ্টটা দেয়ার পর পরই আমার বার বার মনে হয়েছে অমুক গানটি আমার এত প্রিয় অথচ পোষ্টে সেটা দেয়া হল না ভুলে। আমি শিওর এবারো তাই মনে হবে। আরেকটি কথা, আমি যে গানগুলো দেব সেগুলোর সবগুলোই ইংলিশ। তবে আমার আজকের পোষ্টটি আমি একটু অন্যভাবে সাজানোর চেষ্টা করব। এখানে দুটো অংশ থাকবে। একটি অংশে থাকবে আমার ভালো লাগা কিছু গান আর আরেকটি অংশে থাকবে বিখ্যাত ব্যান্ডদের নিজ জেনেরো থেকে সরে গিয়ে গাওয়া ব্যতিক্রমী কিছু গান। আসুন তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে সেই ব্যতিক্রমী গানগুলো দিয়েই শুরু করি। এখানে থাকবে ...

গানগুলো শুনেছেন তো? না শুনলে মিউজিকের চূড়ান্ত শিল্পের স্বাদ থেকে আপনি এখনো বঞ্চিত। সেরা গানের কালেকশন (লিংকসহ)

Image
১. Song Title: What Hurt’s The Most Artist: Rascal Flatts Country : Columbus, Ohio, USA Genre: Country pop Download Link: http://www.mediafire.com/?99ebn6gnqmm এটি একটি সফট গান যেখানে বেহালা ব্যবহার করা হয়েছে এবং লীড গীটারের দারুন করুন একটা টোন ব্যবহার করা হয়েছে। এই গানটি আপনার ভাল লাগতে বাধ্য (গ্যারান্টেড) । লিরিক্স এবং ভিডিওটা দারুন। কালেক্ট করে নেবেন যদি শুনে ভালো লাগে। উল্লেখ্য এটি কোন বিখ্যাত গান না তবে ভাল গান যে সবসময় বিখ্যাত হতে হবে এমন তো কোন কথা নেই তাই না? ২. Song Title: Alone Again Artist: Dokken Country : Los Angeles, California, US Genre: Heavy metal, hard rock Download Link: Click This Link এটা মনে হয় অনেকেই শুনেছেন। মোটামুটি সফট টাইপেরই গানটা। অবশ্য নতুন করে বলার কিছু নেই “ডোক্কেনকে” নিয়ে, একসময়ের বিশ্ব কাপানো ব্যান্ড। এই গানের শুরুতেই দারুন এক প্লাকিন দিয়ে তারা তাদের সৃষ্টির সীমা সম্পর্কে আপনাকে ধারনা দিয়ে দেবে। ৩. Song Title: Nothing Else Matters Artist: Metallica Country : Los Angeles, California, United States Genre: Heavy metal...

Agneepath 2012 Chikni Chameli Full Version HD 1080p

Image
[Movie Title].......................[Agneepath] [Release Year].......................[2012] [Genre]......................[Music] [Size]...........................[100MB] [Resolution]....................[1920*1080] [Format]..............................[Mp4] [Language]..............................[Hindi] [ Subtitle ]................................[No] [Source]........................[1080p] Screenshots Trailer MediaFire [ Part 1 ] Password tinymoviez.com