Friday, May 28, 2010

ফেসবুক কথপকথন 2010

বাহ! বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ভাবতে ভালোই লাগে। ভেবে দেখুন, দেশে মশা-মাছির মতো ফেসবুকের জনপ্রিয়তাও চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়েই চলেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকে একটা অ্যাকাউন্ট নেই, কিন্তু ফেসবুকে বেশ কয়েকটা অ্যাকাউন্ট আছে (নকল আইডিসহ) এমন লোকের সংখ্যাও খুব একটা কম নয় rolling on the floor আর ফেসবুকের যে ব্যাপক উপকারিতা, তাতে জনপ্রিয়তা না বেড়ে উপায় কী? এমনিতে আপনার পাঁচ পয়সাও দাম নেই broken heart সমাজে নেই কোনো মানমর্যাদা। কিন্তু এ নিষ্ঠুর সমাজ না বুঝলেও ফেসবুক আপনাকে ঠিকই বুঝবে hypnotized কারণ ফেসবুকে আর কিছু থাক বা না থাক, আপনার একটা ‘স্ট্যাটাস’ আছে। শুধু তাই না, একটা বাড়ির জন্য মানুষ কত কষ্ট করে, অথচ ফেসবুকে বাড়ি অর্থাৎ হোম আছে। লগইন করলেই দেখতে পাবেন হোম পেইজ 69 ফেসবুক কথপকথন... একটু মজার জন্য ;) |
বিয়ে কিংবা চাকরি যেটাই করতে চান, কাজি না লাগতে পারে, অফিস না লাগতে পারে, কিন্তু সব জায়গাতেই আপনার একটা প্রোফাইল লাগবে thinking সেটাও ফেসবুকে আছে।

আর মানুষ সামাজিক জীব, সে একা বাস করতে পারে না, তার বন্ধু প্রয়োজন—এসব তো সবাই জানে। কিন্তু বন্ধু পাবেন কোথায়? কোথায় আর, এই ফেসবুকে। আহা, কী দুনিয়া আইল রে ভাই! এক ফেসবুকে বন্ধু, প্রোফাইল, হোম, স্ট্যাটাস—সবই পাচ্ছেন big grin জনপ্রিয়তা তো বাড়বেই। তবে কয়েকটি বিশেষ মহল ফেসবুকের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো শুরু করেছে। তাদের ধারণা, ফেসবুকের কারণে টেক্সটবুকের ব্যবহার কমে আসছে। এহ! ফেসবুক আসার আগে সবাই মনে হয় টেক্সটবুক পড়ে একেবারে আইনস্টাইন হয়ে গিয়েছিল pirate* এ দেশের ছাত্রছাত্রীদের কাছে পাঠ্যবইয়ের গুরুত্বটা কেমন, তা কি আমরা জানি না ভেবেছেন? silly আসলে ভালো জিনিস নিয়ে অপপ্রচার হবেই। এটাই নিয়ম। অতএব যে যা-ই বলুক, ফেসবুক একটা ভালো জিনিস।
Powered By Plug N Play

Tuesday, May 11, 2010

আপনার এন্টি ভাইরাস কতটুক কার্য্যকর ?

আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে,। প্রায় সব কম্পিউটারেই এন্টিভাইরাস ইনস্টল করে থাকি, কিন্তু আমরা জানতে পারি কি যে আমার ইনষ্টল করা এন্টি ভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে কিনা ?। তো আসুন আজ ছোট একটি পরীক্ষা দ্বারা জেনে নেই আমাদের ইনষ্টল করা এন্টিভাইরাসের কার্যকারিতা কতটুকু বা কাজ করছে কিনা । এজন্য নোটপ্যাড খুলে
X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H*
লিখে
Virustest.bat
নামে সেভ করতে হবে। এবার ফাইলটি এন্টিভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করুন এবং দেখুন ফাইলটিকে আপনার কম্পিউটারের এন্টিভাইরাসটি ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করে কিনা। যদি চিহ্নিত করে তাহলে বুঝবেন আপনার এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে, আর যদি চিহ্নিত না করে তাহলে বুঝবেন এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে না। ধন্যবাদ সবাইকে।

Monday, May 10, 2010

কই মাছের প্রাণ : এরশাদের গোপন ডায়েরি

আমাকে নিয়ে আমার এই রসিকতায় মনে হয় না কেউ খুব একটা আশ্চর্য হবে। সারাজীবন তো নিজেকে নিয়ে রসিকতাই করে গেছি, সেরসিকতা দেশ ও জনগণের সর্বনাশ ডেকে এনেছে। কিন্তু আমি ছিলাম বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অংশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান প্রতিনিধি। তাই আমার রসিকতা ও আমার ক্ষমতা দুয়ে মিলে আমি হয়েছি – বিশ্ববেহায়া। এখন আমার ক্ষমতা নেই, তাই আমার এখনকার রসিকতা আর দেশ ও জনগণের ক্ষতি করে না। আমার নিজের কই মাছের প্রাণটা আমি উপভোগ করি – এই যে গুরুতর অসুস্থতা থেকেও এই আশি বছর বয়সেও ফিরে এলাম – এ তো উপভোগ করার মতোই ঘটনা। মুজিব মরল, জিয়া মরল – কিন্তু আমি বেঁচে আছি, এরশাদ বেঁচে আছে। এই শব্দটাও আমাকে খুব মানায় – ঠ্যাঁটা, শঠতার চূড়ান্তে পৌঁছতে চেয়েছি আমি – পৌঁছেছি দাবী করব না – কিন্তু বাংলার সেরা শঠদের সেরা সারিতে থাকব, এতে কোনো সন্দেহ নেই আমার। আমার ও রওশনের সন্তান ছিল না, সন্তান দত্তক নিয়েছিলাম, কিন্তু সন্তানসম্ভবা বলে রওশনকে হাসপাতালে ভর্তি করালাম, তার বাচ্চা হল, আমরা বাবা-মা হলাম। সারাদেশকে জোর করে আনন্দে ভাসানো হল, ঘনিষ্ঠরা শুধু জানে, রওশন ছাড়া পৃথিবীতে আর কেউ সম্ভবত রাতারাতি সন্তানসম্ভবা ও সন্তানের মা হয়নি। ১৯৭১ সালে আমি পাকিস্তান আর্মিতে নিশ্চিন্তে কাজ করে গেছি, ছুটি নিয়ে বাবা-মাকে দেখেও গেছি, আর কোনো কিছুর সঙ্গে নিজেকে জড়াইনি, এতো উদাসীন ছিলাম, কোনো কিছুই স্পর্শ করত না, আজো করে না, তাই হয়তো বেঁচে আছি। জিয়ার জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি ছিল তিনি বাংলা ভাষাটাই ঠিক মতো জানতেন না। দেশের প্রেসিডেন্ট দেশের ভাষা না জানলে জিন্নার মতো এক বছর চলে যায়, কিন্তু বছরের পর বছর চলা যায় না, আর তাই জিয়া আমাকে আবিষ্কার করলেন – আর আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গুণটাকে আমি, বাংলা ভাষাজ্ঞানের দিকটাকে আমি জিয়ার সেবায় বিলিয়ে দিলাম – দিনে রাতে জিয়ার ড্রাফট লিখতে লিখতে আমার মনে হয়েছিল, আরেকজনের ড্রাফট লেখার জন্য আমার জন্ম হয়নি – এগিয়ে গেলাম – জিয়া মারা গেলেন – আমার কী কপাল! – তারপর তো কত লোক আমার কবিতাগান লেখার জন্য লাইন দিল। রসিকতা আর শঠতা কাকে বলে! একটা কথা না বললে খুব অন্যায় হবে, ইসলামের সাথে আর কেউ রসিকতা ও শঠতা করেছিল কি না আমার জানা নেই – কিন্তু আমি করেছিলাম – চূড়ান্ত অনৈতিক জীবনযাপন ও রগরগে ভোগবিলাসের মধ্যে থেকেও আমি রাষ্ট্রধর্মে ইসলামকে অভিষিক্ত করেছিলাম, শুক্রবারের ছুটি এনেছিলাম, পীরের লালসা নিয়ে মোনাজাতে মোনাজাতে চারিদিক আকুল করে তুলেছিলাম। ছিলাম পেশাদার মুসলমান, আমার সাথে প্রতিযোগিতা হতে পারে জামাতিদের, একটা রিয়েলিটি শো হলে দেখা যেত – কে হারে, কে জেতে – তবে এই যে আমরা পেশাদার মুসলমানেরা, আমাদের সবার বাবা ‘কায়দে আজম’ জিন্না – ভাগ্য ভাল তার কই মাছের প্রাণ ছিল না, থাকলে হয়তো আমাকে আর ‘বিশ্ববেহায়া’ হতে হত না।

Tuesday, April 20, 2010

গ্রামীণ ফোন সেন্টারের গ্রাহক সেবা

গ্রামীণফোনের বহুল বিজ্ঞপিত মডেম ক্রেতার সাথে সেলস্ম্যানের কথোপকথন।
স্থান : গ্রামীণ ফোন সেন্টার, নাবিস্কো, ঢাকা। তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০১০।

ক্রেতা : সুন্দর একটা নাম্বার দিন।
সেলসম্যান : সুন্দর নাম্বার দিয়ে কি হবে ? ভয়েস কল আউটগোয়িং বা ইনকামিং তো হবে না।
ক্রেতা : কল সুবিধা না রাখার কারণ ?
সেলসম্যান : আপনাদের সুবিধার্থে। যেমন ধরুন কোন কিছু ডাউরলোড করার সময় কল ইনকামিং হলে ডাউনলোড ক্যান্সেল হয়ে যাবে। নতুন করে ডাউনলোড করতে হবে।
ক্রেতা : নতুন করে ডাউনলোড করবো কেন ? আজকাল প্রায় সব ডাউনলোডেই resume সুবিধা আছে। তাছাড়া আমি গ্রামীণ সিম দিয়ে যে ফোন সেট (htc) ব্যবহার করি তা দিয়ে ইন্টারনেটে থাকা অবস্থায় ভয়েস কল আউটগোয়িং ইনকামিং- দুটোই হচ্ছে। কোন সমস্যা তো হচ্ছে না। আসলে এ সিমে ভয়েস কল সুবিধা না রাখায় গ্রামীণ ফোনের অন্য কোন দুনম্বরী ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য আছে।
সেলসম্যান : উত্তর নেই।
ক্রেতা : নতুন সিমে জং ধরা দাগ কেন ? ০১৭১১১ সিরিয়ালের কতো বছরের পুরনো সিম, এখনো চকচক করে !
সেলসম্যান : উত্তর নেই।
ক্রেতা : ঠিক আছে। p-6 এক্টিভেট করে মডেমটি চেক করে দিন।
সেলসম্যান : মডেম চেক করার ব্যবস্থা নেই। ১ বছরের ওয়ারেন্টি তো আছে। চেক করার দরকার কি ?
ক্রেতা : এতগুলো কম্পিউটার, মডেম চেক করার ব্যবস্থা নেই কেন ?
সেলসম্যান : সবগুলো কম্পিউটারই অথরাইজড করা। কোন কিছু ইনষ্টল করার ব্যবস্থা নেই।

সারমর্ম : ১। নিলে নাও। না নিলে বাদ দাও।
২। কাছে থাকো আর নাই থাকো। কিচ্ছু যায় আসে না।
Powered By Plug N Play

Monday, April 5, 2010

লিনাক্সঃ বাংলাদেশের প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ

ফায়ারফক্সের গতি বাড়ান খুব সহজেই!

বাংলাদেশের স্লো ইন্টারনেটের কারনে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। এজন্য আমরা অনেকেই Opera ব্রাউজারের Turbo ব্যবহার করে থাকি। তবে অনেকেই হয়তো খেয়াল করেননা যে, Opera ব্রাউজারের Turbo ব্যবহারের ফলে যারা ১ গিগাবাইট বা ৩ গিগাবাইট এর মত লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। কারন Turbo ব্যবহারের ফলে ইন্টারনেট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

কিন্তু আমরা চাইলে কোন ঝামেলা ও অ্যাডিশনাল সফটওয়্যার ছাড়া খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারি। এজন্য প্রয়োজন শুধুমাত্র Mozilla Firefox ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং মাইক্রোসফট উইন্ডোজের যে কোন অপারেটিং সিস্টেম। তবে ফায়ারফক্সের সর্বশেষ ভার্সনগুলো থাকলে ভাল হয়।

খুব সহজেই ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর পদক্ষেপ সমূহঃ-

১. প্রথমে Mozilla Firefox ব্রাউজারটি Open করুন।

২. এবার Address Bar -এ যেয়ে about:config লিখে Enter করুন।

৩. এরপর একটি Warning Messsage দেখাবে। সেখানে I’ll be careful -এ দিয়ে Enter করুন।

৪. এরপর about:config -এর Page টি আসবে। সেখানে Filter এ Pipelining লিখে Search দিন অথবা
Pipelining এর অপশনগুলো খুজে নিন।

৫. এবার সেখান থেকে network.http.pipelining -এর Value পরিবর্তন করে false থেকে true করে দিন
এবং network.http.pipelining.maxrequests -এর Value পরিবর্তন করে 4 থেকে 10 করে দিন।

৬. লক্ষ্য রাখতে হবে যে network.http.pipelining.maxrequests -এর Value কখনোই 10 এর
বেশি দেয়া যাবেনা। সেক্ষেত্রে ফায়ারফক্স ফ্রিজ হবার সম্ভাবনা থাকে।

৭. এবার ফায়ারফক্স এর File এ যেয়ে Exit দিন।

৮. তারপর আপনার ইন্টারনেট কানেকশন ম্যানেজার -এ যান।

৯. সেখান থেকে আপনার default connection অর্থাত আপনি যে connection টি ব্যবহার করেন, তার Properties এ যান।

১০. সেখানে প্রথমেই থাকা General ট্যাব এর Configure -এ ক্লিক করুন।

১১. এবার Maximum speed (bps) পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ মান অর্থাত 921600 -এ দিয়ে OK দিয়ে
বেড়িয়ে আসুন।

১২. তারপর আপনার কম্পিউটারটি Restart করুন।

এবার আপনি নিজেই Mozilla Firefox এর সাহায্যে ইন্টারনেটে ব্রাউজ করে দেখুন গতি কতটা বেড়েছে!

Powered By Plug N PLay

Sunday, April 4, 2010

শাহী মির্জা,যেভাবে হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

অনেক দিনপর বাংলার একজন হ্যাকারের কথা মনে পড়লো।যে কিনা হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।কিন্তু বেচারা।২৪ ঘন্টার আগেই ধরাপড়ে র‌্যাবের হতে।আমি আজ সেই হ্যাকারে হ্যাকিং করা ও পরিচয় আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।
২০০৮ সালের ৫ ই সেপ্টেম্বর,শাহী মির্জা নামের একজন ছাত্র হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট ।সে হ্যাকিং এর পর সকল প্রশাসনের মাথার টনক নড়ে ওঠে।আজ আমি আপনাদের সে হ্যাকিং এর কিছু কাহিনী তুলে ধরবো।
কে এই শাহী মির্জা

Shahee+Mirza শাহী মির্জা,যেভাবে হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

শাহী মির্জার আসল নাম হল আবু মুর্জা কামরুজ্জামান শাহী। শাহী মির্জার বাড়ি হলো সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এ।সে মিরপুর-৬ নম্বর সেকশনে অবস্থিত বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সাইক ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্সের ৪র্থ সেমিস্টারের ছাত্র।এ পর্যন্ত সে দেশ-বিদেশের ১৮ টি ওয়েবসাইট করেছে।তার হ্যাকিংয়ের তালিকায় ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েব সাইট, সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরওয়েব সাইট ও অনলাইন বিডি নিউজের ওয়েব সাইট।
যেভাবে হ্যাকিং করা হয় র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

শাহী মির্জা ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৮ সময়ে সে র‌্যাবের ওয়েব সাইটের প্রবেশ করে।প্রথমে সে লিনাক্স নামে একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের লাইনে।ওয়েব সাইট হ্যাকিং এর জন্য প্রথমেই খুঁজে বের করে র‌্যাবের ওয়েব সাইটের বিভিন্ন তথ্য যেমন, ওয়েব সাইটটি কোথায় হোস্টিং করা আছে, এর মালিক কে, কতদিন মেয়াদ আছে ইত্যাদি। পরে সবগুলো তথ্য নেবার পরে সে তার আইপি না পরিবর্তন কই প্রবেশ করে gov.bd সার্ভারে।এর জন্য সে ব্যবহার করে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ হ্যাকিং সফটওয়্যার।অবশ্য সেগুলো সম্পর্কে র‌্যাবে কিছুই বলে নি।
নিচে হ্যাকিং করা র‌্যাবের ওয়েব সাইটের অবস্থা



GOVERNMENT DOES NOT TAKE ANY STEP FOR ICT DEVELOPMENT.
BUT PASSED A LAW ABOUT ANTI-CYBER CRIME.
YOU DOES NOT KNOW WHAT IS THE CYBER SECURITY OR
HOW TO PROTECT OWNSELF.

LISTEN..HACKERS R NOT CRIMINAL , THEY R 10 TIME BETTER THAN YOUR EXPERT.
……………………….WE ARE GINIOUS THAN YOU CANT THINK………………………………..
MAIL: SHAHEEMIRZA [AT] YAHOO.COM



যেভাবে গ্রেফতার হয় শাহী মির্জা

র‌্যাব তদন্ত করে দেখতে পায়,বাংলাদেশের আইপি নম্বর থেকে এই হ্যাকিং করা হয়েছে। তারা হ্যাকিং করা ইন্টারনেটের আইপি নম্বর সংগ্রহ করে।পরে তা ফিল্টারের মাধ্যমে জানতে পরে ঢাকার মিরপুর থেকে হ্যাকিং করা হয়েছে।র‌্যাব তদন্তে করে শনিবার রাতে মিরপুর থেকে শাহী মির্জাকে গ্রেফতার করে।হ্যাকিং করার ক্ষেত্রে সে নিজের ইন্টারনেট লাইন ব্যবহার করেছে। হ্যাকিংয়ে সে নিজের পরিচয় গোপন করেনি।ফলে মাত্র ১২ ঘন্টায় গ্রেফতার হয় শাহী মির্জা।তবে তার হ্যাকিং এর ঘটনার পর সবার মাথার টনক নড়ে উঠে।সবাই বুঝতে পারে বাংলার হ্যাকারা ও কমে ছাড়ে না। তাদের ও মেধা আছে হ্যাকিং করার মত।
এখন শাহী মির্জা মুক্ত।কিন্তু কে জানে আবার না হ্যাকিং করে অন্য কোন সাইট।টিউনটি দেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

ওয়ানপ্লাসের নতুন অক্সিজেন ওএস ১৫ আসছে AI নিয়ে

  অ্যান্ড্রয়েড ১৫  এর ওপর ভিত্তি করে আসছে  ওয়ানপ্লাসের  অক্সিজেন    ওএস  ১৫। অক্টোবরের ২৪ তারিখ বাংলাদেশ সময় রাত ৯:৩০ এ আনুষ্ঠানিকভাবে অপ...