Saturday, August 3, 2013

এ্যাডোবি ফটোশপ সিএস 5 এক্সটেন্ডেড (3D) পোর্টেবল ভার্সন

এ্যাডোবি ফটোশপ সিএস 5 এক্সটেন্ডেড-থ্রিডি (3D)। অর্থাৎ এ্যাডোবি ফটোশপের অন্যান্য ভার্সনের এটি অনেক আধুনিক এবং অধিক কার্যকরি। আপনি যদি পুর্বে এ্যাডোবি ফটোশপের ভার্সনগুলোতে কাজ করে থাকেন তাহলে এটি আপনার জন্য হতে পারে একটি চমক। এই ভার্সনের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এর ইনস্টলেশনের কোন ঝামেলা নেই, আবার কোন কী-এরও দরকার নেই। এটি ব্যবহার করে আপনি থ্রিডি (3D)-এর কাজগুলো করতে পারেন আগের চেয়ে আরো সহজেই। এর  আরেকটি আকর্ষনীয় দিক হচ্ছে, এতে কিছু এ্যাডভান্স টুলস্ ব্যবহার করা হয়েছে যা দিয়ে সহজেই কোন কাজ আগের চেয়ে কম করতে পারবেন।

সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ!

আপনার মোবাইল পানিতে পড়ে গেলে কী করবেন?

আপনার মোবাইল পানিতে পড়ে গেলে যত তারাতারি সম্ভব আপনার মুঠোফোনটিকে পানি থেকে তোলার ব্যবস্থা করুন। মনে রাখবেন, যত দেরী হবে আপনার মুঠোফোনটির আই.সি (IC) নষ্ট যাওয়ার সম্ভবনা তত বেশি। পানি থেকে তোলার সাথে সাথে মুঠোফোনটির পাওয়ার অফ (Power Off) করুন এবং ব্যাটারি টি খুলে ফেলুন। কারণ পাওয়ার অন করা অবস্থায় কোন কিছু করা টা আপনার মুঠোফোনের আই.সি নষ্ট হওয়ার কাজটি ত্বরান্বিত করতে পারে। এবার একটি চাল ভর্তি বলের ভেতর আপনার মুঠোফোনটি পুরোপুরি ঢুকিয়ে দিন! অনুগ্রহ করে চব্বিশ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। চব্বিশ ঘন্টা পর আপনার সেটটি অন করুন, আশা করি আপনার মুঠোফোনটি ঠিকমত চলছে!!
*যদি চব্বিশ ঘন্টা পর আপনার মুঠোফোনটি না চলে,তাহলে বুঝতে হবে হয়ত মোবাইলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । এ ক্ষেত্রে আমি আপনাদের বিশেষজ্ঞ অথবা মোবাইল টেকনিশিয়ান এর সাথে কথা বলতে বলব।

আপনার Android phone কে ওয়েব ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করুন

আমি আজ আপনাদের জানাবো কিভাবে আপনার Android phone কে ওয়েব ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করবেন। এজন্য প্রথমে বাজার থেকে মাত্র ২০০ টাকা দিয়ে একটি ব্লুটুথ ডিভাইস কিনে আপনার কম্পিউটারে সংযুক্ত করুন। অতঃপর  SmartCam.exe সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করুন। এরপর SmartCam.Apk ফাইলটি ডাউনলোড করে আপনার android phone এ ইন্সটল করুন। এবার আপনার SmartCam  সফটওয়্যার টি ওপেন করে মেনু অপশনের connect Bluetooth এ ক্লিক করে আপনার কম্পিউটার এর সাথে ব্লুটুথ এর মাধ্যমে সংযুক্ত করুন। আর উপভোগ করুন সরাসরি ভিডিও চ্যাট।

MS Excel ফাইলকে Password দিয়ে রাখুন (নিরাপত্তার জন্য)

আমরা যারা বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজ করি তাদের এক্সেল File এ অনেক ডাটা ও হিসাব-নিকাশ সংরক্ষণ করতে হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে এটা অতি প্রয়োজনীয় হতে পারে।এর গোপনীয়তা রক্ষার জন্য পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হয়। তো আমরা আজ শিখব কিভাবে MS Excel ফাইলকে Password দিয়ে রাখতে হয় তার নিয়ম।

তাহলে নিচের নিয়ম গুলো ভালো করে অনুসরণ করুন। প্রথমে MS Excel প্রোগ্রাম চালু করে যে কোণ একটি ফাইল খুলুন। যে ফাইলকে Password দিয়ে রাখতে চান। নিচের মত করে।

তারপর মেনুবার এ File >> Save as এ ক্লিক করুন।তাহলে নিচের মত একটি বক্স আসবে তার উপরে Tool >> General option এ ক্লিক করুন।

সবশেষে OK দিলে আবার পাসওয়ার্ড চাইলে পাসওয়ার্ড দিয়ে Save এ ক্লিক করে সেভ করুন।

বিঃদ্রঃ একই নিয়মে আপনি MS Word ফাইল এ পাসওয়ার্ড দিতে পারবেন।

Monday, July 22, 2013

অ্যান্ড্রয়েড ব্যাটারি সেভিং টিপস !!!

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলো হল স্মার্ট মোবাইল ডিভাইস। তাই এই ডিভাইস গুলোকে স্মার্টফোন ও বলা হয়। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলোকে মিনি কম্পিউটার ও বলা যায়, কারন এগুলো ল্যাপটপ এবং নোটবুক থেকে বেশি পোর্টেবল। ডিভাইস গুলোকে মিনি কম্পিউটার বলা গেলেও এই ডিভাইস গুলোর পাওয়ার রিকয়ারমেন্ট কিন্তু মিনি নয় !! অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলোর সবচাইতে বড় সমস্যা হল ব্যাটারি লাইফ। আপনি যদি সিম কার্ড খুলে, ওয়াইফাই অফ করে এবং কোন কাজ না করে আপনার ডিভাইস টি রেখে দেন, দেখবেন এক চার্জেই আপনার ডিভাইস কয়েক দিন পার করে ফেলবে। কিন্তু যখন আপনি এই সব কিছু ব্যবহার করতে যাবেন তখনি হবে ব্যাটারি লাইফ নিয়ে সমস্যার সূচনা !! স্মার্টফোন কিনেছেন তো ব্যাটারি সমস্যার কারনে কি ফোন অফ করে রাখবেন ?? চাইবেন কেউ আপনাকে কল না করুক?? না মোটেও তা সম্ভব না । আমার এই পোস্ট আপনার ব্যাটারির mAh বাড়িয়ে দিবে না কিন্তু জুস ডিফেন্ডার এর ভাষায় আপনার ব্যাটারির কিছুটা জুস অর্থাৎ চার্জ বাচাতে হেল্প করবে আশা করি। তো চলুন দেখি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর ব্যাটারি সেভ করার কিছু টিপস …

১) ব্যাটারি ইউসেজঃ
battery usage
আপনার ফোনের  Settings > Battery  তে গেলেই দেখবেন কোন অ্যাপ বা প্রোগ্রামটি আপনার ব্যাটারির চার্জ বেশি ব্যবহার করছে।  সব ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে জিনিস টি সবচাইতে বেশি ব্যাটারি চার্জ ব্যবহার করছে তা হল আপনার ফোনের ডিসপ্লে।
২) 2G নেটওয়ার্ক ব্যবহারঃ 
2g
আপনি যদি 3G সিম ব্যবহার না করেন অথবা আপনি যেখানে থাকেন সেখানে যদি 3G ডাটা সার্ভিস না থাকে তাহলে 2G নেটওয়ার্ক বা ডাটা সার্ভিস ব্যবহার করাই ভাল। কারন এতে আপনার ব্যাটারি সেভ হবে। Settings > Wireless controls> Mobile networks এ যেয়ে Use only 2G networks সিলেক্ট করে দিন।

৩) ডিসপ্লে ব্রাইটনেসঃ
brightness
যেহেতু অ্যান্ড্রয়েড  ডিভাইসে সবচাইতে বেশি চার্জ ইউজ করে ডিসপ্লে, তাই ডিসপ্লের ব্রাইটনেস যত কম হবে তত বেশি ব্যাটারি সেভ হবে। ব্রাইটনেস কমানোর জন্য Settings > Display > Brightness এ যেয়ে ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
৪) স্ক্রীন টাইমআউটঃ
timeout
স্ক্রীন টাইমআউট অপশন এর মাধ্যমে আপনি ইনঅ্যাক্টিভ অবস্থায় আপনার ফোনের ডিসপ্লে কখন অফ হবে তা সেট করতে পারবেন। ফোনের ডিসপ্লে যত বেশি সময় অ্যাক্টিভ থাকবে তত বেশি চার্জ ইউজ হবে। Settings > Display > Screen timeout অপশন এ যেয়ে স্ক্রীন টাইম আউট ১ বা ২ মিনিট করে দিন।
৫) কানেকটিভিটি ফিচারঃ
toogle
প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনের রয়েছে বিভিন্ন  কানেকটিভিটি ফিচার যেমন  Bluetooth,Wifi । এই   Bluetooth বা Wifi যখন অন করা থাকে তখন এগুলো নতুন ডিভাইস এবং ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক সার্চ করতে থাকে, যে কারনে অনেক ব্যাটারি ইউজ হয়। তাই আপনি যখন এই ফিচার গুলো ব্যবহার করছেন না তখন  এগুলো বন্ধ করে রাখুন।
৬) জিপিএসঃ

প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোন এ GPS সিস্টেম দেয়া থাকে। GPS এর কাজ হল আপনার অবস্থান বা লোকেশন ট্র্যাক করা। বিভিন্ন অ্যাপ, গুগল ম্যাপ, ওয়েদার উইজেট এই GPS সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে। এর ফলে অনেক চার্জ ইউজ হয়। তাই প্রয়োজন ছাড়া এই GPS সিস্টেম অফ করে রাখাই ভাল।GPS অফ করার জন্য Settings > location এ যেয়ে Use GPS satellites অপশন টি অফ করে দিন।
৭) ফোন ভাইব্রেসনঃ
vibrate
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের আরেকটি অপশন যা আপনার ব্যাটারির জুস বা চার্জ কমিয়ে দেয় তা হল ভাইব্রেসন। যখন কল আসে এবং আপনি ডিসপ্লে তে টাচ করেন তখনই ফোন ভাইব্রেট করে । তাই এই ভাইব্রেসন অপশন টি অফ করে রাখলে আপনার ব্যাটারি সেভ হবে। Settings > Sound  এ যেয়ে   vibration অফ করে দিন।
৮) ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপঃ 
background
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এ অনেক অ্যাপ ক্লোজ করার পর অ্যাপ গুলো ব্যাকগ্রউন্ড এ চলতে থাকে। যার ফলে অনেক চার্জ নষ্ট হয়। তাই কোন টাস্ক কিলার দিয়ে অ্যাপ গুলো কিল বা force close করে দেয়া ভাল। এছাড়া বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ যেগুলো সব সময় ডাটা কানেকশন অ্যাক্টিভ রাখে সেগুলো আনইন্সটল করে দেয়া ভাল।
৯) সিপিইউ আন্ডার ক্লকিংঃ
cpu under
ফোন রুট করা থাকলে কিছু অ্যাপস ইউজ করে সিপিইউ আন্ডারক্লক করতে পারেন। এই অ্যাপ দ্বারা আপনি সিপিইউ’র ক্লক রেট সেট করে নিতে পারবেন। তবে এই অ্যাপ ইউজ করার সময় সতর্ক থাকতে হবে, কেননা ক্লক রেট খুব বেশি মানে ওভারক্লকিং করলে হার্ডওয়্যারের ক্ষতি হতে পারে। এমন কিছু অ্যাপস হলঃ SetCPU for Root Users , No-frills CPU Control , and CPU Tuner ।
১০) অটো সিঙ্ক্রোনাইজেশন, লাইভ উইজেটঃ 
Screenshot_2013-07-03-14-32-08
ফোনের অটো সিঙ্ক অন করা থাকলে তা নেট ইউজ করতে থাকে যা চার্জ শেষ করে ফেলে। আর লাইভ উইজেট( যেমনঃ ওয়েদার উইজেট, ফেসবুক, ম্যাসেজিং ইত্যাদি  আপডেট হওয়ার জন্য নেট ইউজ করে। তাই অটো রিফ্রেশ ফ্রিকোয়েন্সি কমিয়ে দেয়া ভাল।
১১) লো Network strength:
যখন আপনার ফোনের Network strength ভাল থাকলে ব্যাটারি কম ইউজ হয়। কিন্তু Network strength যখন কম থাকে তখন ফোন অনবরত নেটওয়ার্ক সার্চ করতে থাকে যার কারনে ব্যাটারি বেশি ইউজ হয়। তাই অনেক অ্যান্ড্রয়েড এক্সপার্টের  মতে যে সকল এলাকায় Network strength কম সেখানে ফোনকে ৪৫ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেল এ রাখলে সর্বাধিক Network strength পাওয়া যায়। ফলে ব্যাটারি কম ইউজ হয়।
১২) এমোলেড স্ক্রীনঃ 
Screenshot_2013-07-03-14-29-42
এই টিপস টি LCD-screened ডিভাইস গুলোতে খুব একটা কাজ না করলেও যে সকল ডিভাইস এ  AMOLED screen ব্যবহার করা হয়েছে সেইসব ডিভাইস এ ভাল কাজ করবে। AMOLED screen এর পিক্সেল গুলো নিজেই আলো তৈরি করে।  পিক্সেল যত বেশি ব্রাইট হবে তত বেশি পাওয়ার বা ব্যাটারি ইউজ হবে। তাই AMOLED screen ডিভাইস গুলোতে ব্ল্যাক ওয়ালপেপার, থিম বা লাইভ ওয়ালপেপার ইউজ করা ভাল। এতে পিক্সেল এর ব্রাইটনেস কম হয় ফলে ব্যাটারি সেভ হয়।
১৩) ব্যাটারি সেভার অ্যাপঃ
ব্যাটারি সেভ করার জন্য প্লে স্টোরে রয়েছে  জুস ডিফেন্ডার, ইজি ব্যাটারি সেভার এর মত আর অনেক অ্যাপ। ব্যাটারি সেভ করার জন্য আপনি এই অ্যাপ গুলো ব্যবহার করতে পারেন।
১৪) পাওয়ার উইজেটঃ
android-power-control-widget
অ্যান্ড্রয়েড এর বিভিন্ন কানেক্টিভিটি ফিচার যেমন GPS, Wi-Fi, 3G/LTE and mobile network connection, Bluetooth, NFC ইত্যাদি দ্রুত অন অফ করার জন্য আপনি হোম স্ক্রীন এ পাওয়ার কন্ট্রোল উইজেট ব্যবহার করতে পারেন।

Wednesday, July 17, 2013

কিভাবে এন্ড্রয়েড এ Screenshot নিবেন?? (সকল ডিভাইস)

মাঝে মাঝে অনেক সময় আমাদের ডিভাইস এর Screenshot নিতে হয়। Screenshot নেয়ার সিস্টেম টা ডিভাইস ভেদে হয়ে থাকে। যেমন নেক্সাস এ এক রকম  আবার গ্যালাক্সি এস৪ এ অন্যরকম। আবার দেখা যায় Walton & Symphony এর অনেক ডিভাইস এ নেয়ার সিস্টেমই নাই। তাই আজ এই পোস্ট টি আপনার জন্যে যারা কিনা জানেন না কিভাবে আপনার ডিভাইস এর Screenshot নিতে হয়। আবার ধরুন আপনি আপনার ফ্রেন্ড এর একটি ডিভাইস হাতে নিলেন যেটা কিনা আপনার ডিভাইস এর মতো Screenshot নেয়া যায় না আর আপনি সেটায় Screenshot নিবেন কিন্তু পারছেন না। কি রকম একটা লজ্জা পেতে হবে ভাবেন! তাহলে আপনার জন্যেও এই পোস্ট। সকল ডিভাইস এর Screenshot নেয়া শিখে ফেলুন আজই।

Stock Android, Google Nexus or Custom ROMs

Nexus 4 Screenshot
উপরে টাইটেল এর মতো যদি আপনার ডিভাইস টি হয়ে থাকে তাহলে আপনি নরমালভাবেই নিতে পারবেন Screenshot। যা কিনা ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন একসাথে প্রেস করলেই নিয়ে নিতে পারবেন Screenshot। এ ক্ষেত্রে প্রথমে ভলিউম ডাউন বাটন ও সাথে সাথে পাওয়ার ডাউন প্রেস করতে হবে অথবা একসাথে। তাহলে ট্রাই করুন যদি আগে না জেনে থাকেন।

Samsung Smartphones and Tablets

Galaxy S4 Screenshot
নতুন কিছু Samsung ডিভাইস এ আপনি স্ক্রিন এর উপর দিয়ে হাত বুলালেই নিয়ে নিতে পারবেন Screenshot। তবে সেটার জন্যে Settings > Motion first অপশন টি একটিভ করা থাকতে হবে। এছাড়াও অন্য  Samsung ডিভাইস এ আপনি হোম বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করে নিতে পারবেন Screenshot জেমনটা উপরের ছবিতে দেখানো হয়েছে। তাহলে ট্রাই করুন।

HTC Devices

Take Screenshot HTC One
HTC এর মেথড অনেকটা স্টক এন্ড্রয়েড এর মতোই। এছাড়াও ছবিতে যেমন দেখানো হয়েছে হোম বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করলেই নিতে পারবেন Screenshot । আপনি হোম ও পাওয়ার বাটন প্রেস করলেই স্ক্রিন এ একটা ম্যাসেজ আসবে যে আপনার Screenshot নেয়া হয়েছে।

Sony Devices

Sony এর মোবাইল ও ট্যাবলেট এর মেথড একটু আলাদা। মোবাইল এর জন্যে ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করে ধরে রাখুন এবং Screenshot নেয়া সম্পন্ন হউয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। Screenshot নেয়া হয়ে গেলে কনফারমেশন পাবেন।
এছাড়াও অনেক সনি এর ডিভাইস এ পাওয়ার মেনু দিয়েও Screenshot নিতে পারবেন। এ জন্য পাওয়ার বাটন প্রেস করে ধরে রাখুন। একটি মেনু অপ্সহন আসবে যেখানে লিখা থাকবে take a screenshot। এবং এই অপশন এর মাধ্যমে নিয়ে নিতে পারবেন  Screenshot।

LG devices

LG ডিভাইস অনেকটা সনি এর মতোই। আপনি ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করে রাখুন এবং Screenshot নেয়া হয়েছে এই কনফারমেশন এর জন্যে অপেক্ষা করুন।
এছাড়াও এলজি তে কুইক মেমো এর সাহাজ্যেও নিতে পারবেন। তবে সেটির সেটিং অন থাকতে হবে।

Walton,Symphony,Others

Walton,Symphony ও অন্যান্য চায়না ডিভাইস গুলতে আপনি নরমালি ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করেই নিতে পারবেন। তবে সব ডিভাইস এ এই মেথড টা কাজ করবে না। এমনকি অনেক ডিভাইস আছে জেগুলাতে Screenshot নেয়ারই কোন অপশন নাই। সুতরাং আপনি কি করবেন?
কি আর করবেন!!! আপনার জন্যেও সলিউশন আছে। আপনি নিচের দেয়া অ্যাপ টি ডাউনলোড করে নিন। এই অ্যাপ এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো ডিভাইস এর Screenshot নিতে পারবেন। নাহ! এটি ইউজ করতে আপনার রুট করা লাগবে না।
তো আর কি!!! হয়ে গেলো Screenshot এর সমাধান!!!

রুট না করার পিছনে ১০ টি উপযুক্ত কারন

আজ দেখাবো রুট না করার পিছনে ১০ টি উপযুক্ত কারন যা দেখে অনেকে রুট করবেন না। যাই হোক, রুট করলে আপনি অনেক সুবিধা পাবেন তবুও চলুন দেখি রুট না করার পিছনে কি কি কারন থাকতে পারে…


১- রুট সবার জন্যে নাঃ রুট করলে আপনি অনেক সুবিধা পাবেন সত্যি তবে যারা সবেমাত্র এন্ড্রয়েড ওয়ার্ল্ড এ ঢুকেছেন এবং টেকনিক্যাল ব্যাপারে জ্ঞান কম তাদেরকে বলবো আপনার রুট করার দরকার নেই। কারন রুট করতে গিয়ে অথবা রুট করার পর ভিবিন্য কিছু ট্রাই করতে গিয়ে আপনার ডিভাইস ড্যামেজ করে ফেলতে পারেন। সুতরাং রুট সবার জন্যে নয়।
২- রুট অনেক সময় আপনার ডিভাইস রিসেট করে ফেলবেঃ একচুয়াল টা বলা সম্ভব না তবে অনেক সময় রুট করতে গিয়ে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে আপনার ডিভাইস রিসেট সহ অরিজিনাল ফার্মওয়্যার দেয়া লাগতে পারে। এতে করে আপনার অনেক ডাটা হারানর একটা ভয় থেকে যাচ্ছে। এছাড়াও রুট করার পর ডিভাইস এ অনেক টাইপের প্রবলেম হয়। তাই ডাটা হারানর ভয় থেকেই যায়।
৩- গ্যারান্টি ও ওয়ারেন্টি হারানোঃ এই টার্ম টা অনেকেই জানেন আগে। রুট প্রসেস টি আপনার ডিভাইস কোম্পানি থেকে না করে দেয়া হয়েছে। রুট করার পর ডিভাইস কিছু হলে সেটার দায়ভার কোম্পানি বহন করবে না। এছাড়াও রুট করার সাথে সাথে আপনার ডিভাইস এর ওয়ারেন্টি অথবা গ্যারান্টি যেটাই থাকুক না কেন তা নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা অনেকেই দেখা যায় ১ বছরের জায়গায় ২ বছরের ওয়ারেন্টি নেই টাকা বেশি দিয়ে। নিয়ে লাভ কি? আপনি রুট করলে তা আর পাবেন না।
৪- ডাটা সিকিউরিটি কমে যায়ঃ রুট করার পর আপনার কন্ট্রোল এ টোটাল ডিভাইস এক্সেস এসে যায়। এবং দেখা যায় আপনি ও আমি অনেক টাইপের অ্যাপ ইন্সটল করি। এতে করে কিছু কিছু অ্যাপ ডিভাইস এর এডমিন এক্সেস পেয়ে যায়। এডমিন এক্সেস পেলে ওইসব অ্যাপ আপনাকে না জানিয়ে আপনার ডিভাইস এর যেকোনো ডাটা কপি করে নিতে পারবে। এছাড়াও মুছেও দিতে পারবে। রুট না করলে এটার ভয় অনেক কম থাকে। সুতরাং রুট করার ফলে আপনার ডাটা ও ফাইল এর সিকিউরিটি কমে যাবে।
৫- অনেক প্রোগ্রাম চলতে বাধা দিবেঃ এখানে একটু বলে নেই, রুট করার ফলে আপনি অনেক টাইপের অ্যাপ ও প্রোগ্রাম ইউজ করতে পারবেন যা নরমালি পারবেন না। তবে প্লে ষ্টোর এ কিছু কিছু অ্যাপ আছে যা আপনি নরমালি ইউজ করতে পারবেন কিন্তু রুট করার পর তা পারবেন না। অনেক গেইম দেখা যাবে রুট করার পর হতাথ করে ওপেন হতে গিয়ে অফ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের গ্রুপ এ এরকম অনেকে জানিয়েছেন। তাই এই পয়েন্ট টা এখানে তুলে দিলাম।
৬- রুট সিস্টেম এর স্টেবিলিটি কমায়ঃ যদিও রুট করার ফলে আপনি আপনার রম ও সিস্টেম এ অনেক প্রকার কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন। তবে এখানে একটু বলে রাখা ভালো যে রুট করার ফলে আপনি এডমিন এক্সেস পেয়ে এমন কিছু কাস্টমাইজেশন করতে পারেন যাতে কিনা আপনার ডিভাইস এর  স্টেবিলিটি  কমে যাবে। যেতে পারে না কমে জাবেই। এতে করে মোবাইল টা একটু লং লাইফ এর চেয়ে কম লাইফ হবে :p
৭- OTA আপডেট পাবেন নাঃ রুট করার ফলে আপনার ডিভাইস এর OTA  আপডেট ফিচার টি অফ হয়ে যাবে। তবে এটি সব ডিভাইস এ না । কিছু কিছু ডিভাইস এ এটি হবে। এতে করে আপনি কাস্টম আপডেট করতে হতে পারে আপনার ডিভাইস।

৮- কাস্টম রম ইউজ করে বিপদে  পরাঃ রুট করার ফলে আপনি এডমিন এক্সেস পেয়ে যাবেন। এতে করে আপনি কাস্টম রম ইউজ করতে পারবেন। রম মানে হল মোবাইল এর সাথে আসা অরিজিনাল সিস্টেম। সুতরাং এই অরিজিনাল সিস্টেম এর অনেক কাস্টম ভার্সন পাওয়া যায়। যার মধ্যে Cyanogen MOD অন্যতম। যাই হোক কাস্টম রম এ আপনি অনেক ফিচার পাবেন। তবে এতে করে রিস্ক থাকে বেশি। দেখা যায় অনেক সময় আপনার ডিভাইস এর ক্যামেরা কাজ করতেছে, ভাইব্রেশন কাজ করতেছেন, কল করা যাচ্ছেনা, মাঝে মাঝে কল করে কথা শুনা যাচ্ছে না এরকম আরও অনেকে প্রবলেম দেখা যায় অনেকের ডিভাইস এ । কারন কাস্টম রম এ অনেক বাগ থাকে। যদিও আমি প্রতি সপ্তাহে রম চেঞ্জ করি।
৯- রুট খামখেয়ালি অথবা মজা করার জিনিস নাঃ আমরা দেখা যায় অনেকে রুট করি শুধু মাত্র কিছু অ্যাপ ও ফিচার স্টাইল ইউজ করার জন্যে। ডিভাইস এর চেহারা পরিবর্তন করার জন্যে। এতে করে একটু মজা পাওয়া যায়। তবে আপনি জানেন কি!! রুট কোন প্রকার মজা করার জিনিস না। এই রুট করার কারনে আপনার ডিভাইস এর এডমিন এক্সেস যেকোনো অ্যাপ সহজে নিয়ে নিতে পারে। এতে করে দেখা যায় আপনি যেকোনো প্রকার হ্যাক এর ভিক্টিম হতে পারেন। এছাড়াও আপনার ডিভাইস এ যেকোনো প্রকার ড্যামেজ ও ডাটা হারাতে পারেন। তাই যদি না বুঝেন তাইলে রুট কইরেন না। মজা করতে হলে অন্য কিছু নিয়ে করেন।
১০- পাইরেট অ্যাপ ইন্সটলঃ প্রতিদিন লাখ লাখ ইউজার এন্ড্রয়েড নিচ্ছে এবং এন্ড্রয়েড এ আসতেছে। অ্যাপল যারা ইউজ করেন তারা হয়তো জানেন JAILBREAK এর কথা। JAILBREAK করার ফলে আপনি অনেক পাইরেটেড অ্যাপ ও ফিচার ইউজ করতে পারবেন। তো অনেকে এন্ড্রয়েড এ মনে করে যে পাইরেটেড অ্যাপ ইউজ করতে হলে মনে হয় রুট ও আনলক করতে হবে। আরে না!! আপনি যা ইচ্ছা ইউজ করেন অ্যাপ সেটার জন্যে আপনাকে রুট করতে হবেনা। এন্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। এখানে আপনি ইচ্ছামতো অ্যাপ ইউজ করতে পারবেন। আপনাকে বাধা দেয়ার অধিকার নেই গুগল এর। যাই হোক, অনেকে ওইসব পাইরেটেড অ্যাপ  ইউজ করতে গিয়ে অনেক বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন কারন ওই অ্যাপ গুলো থার্ড পার্টি সাইট থেকে নেয়া এবং তাতে ভাইরাস থেকে যায় মাঝে মাঝে যা এডমিন এক্সেস নিয়ে আপনাকে এটাক করবে। রুট না করলে কিন্তু ওইসব অ্যাপ এডমিন এক্সেস পাচ্ছে না। এতে করে আপনার ভয় থেকে যাচ্ছে কম।
যাই হোক… যদিও উপরে দেখিয়ে কিছু কারন যা রুট না করতে আপনাকে বাধ্য করবে। তবে আমি পারসনালি সব ডিভাইস রুট করে রেখেছি। আমার কথা হল রুট না করে  এন্ড্রয়েড ইউজ করার চেয়ে জাভা ইউজ করাই ভালো। তবে এটা আপনার ব্যাপার। নিজের বিপদ নিজে টেকেল দিতে পারলে রুট করুন।

source

ওয়ানপ্লাসের নতুন অক্সিজেন ওএস ১৫ আসছে AI নিয়ে

  অ্যান্ড্রয়েড ১৫  এর ওপর ভিত্তি করে আসছে  ওয়ানপ্লাসের  অক্সিজেন    ওএস  ১৫। অক্টোবরের ২৪ তারিখ বাংলাদেশ সময় রাত ৯:৩০ এ আনুষ্ঠানিকভাবে অপ...